Previous
Next

সর্বশেষ

Saturday, June 6, 2020

চট্রগ্রামে মাদ্রাসা প্রতিষ্টা খারাপ, বাইয়াত ও মীলাদুন নবীর কদর্য প্রতিযোগিতা খুবই দৃষ্টিকটু পর্যায়েরঃ শ্যামল দত্ত

চট্রগ্রামে মাদ্রাসা প্রতিষ্টা খারাপ, বাইয়াত ও মীলাদুন নবীর কদর্য প্রতিযোগিতা খুবই দৃষ্টিকটু পর্যায়েরঃ শ্যামল দত্ত



চিফ রিপোর্টার।। দৈনিক ভোরের কাগজ এর সম্পাদক শ্যামল দত্ত তার পত্রিকায় চট্টগ্রাম নিয়ে চিন্তা করার কি কেউ নেই? শিরোনামে  মুক্তচিন্তা বিভাগে একটি সম্পাদকীয় লিখেছে যেখানে প্রকাশ্যে ইসলাম ধর্মীয় বিভিন্ন বিষয়ে বিদ্বেষ প্রকাশ করা হয়েছে। আমরা তা আমাদের পাঠকের নিকট তুলে ধরছি।

শ্যামল দত্ত তার বিদ্বেষ এতো জঘন্যভাবে উপস্থাপন করেছে যে তা বরদাশত করা কোন মুমিনের পক্ষে সম্ভব নয়, সে বলেছেঃ চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সমাজ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে এক ধরনের অভূতপূর্ব সখ্য ও সহযোগিতা আছেরাজনৈতিক বিভাজনকে পাশে রেখে তারা আত্মীয়তা করেন, ব্যবসায় জড়ান একে অপরের সঙ্গেফলে কোনো রাজনৈতিক শাসনামলই তাদের জন্য কোনো বৈরী পরিবেশ তৈরি করে নাএক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি এমনকি জামায়াত নেতৃবৃন্দের মধ্যে অদ্ভুত মিত্রতা ও ব্যবসায়িক আঁতাত আছে, যা চট্টগ্রাম ছাড়া দেশের অন্য কোথাও দেখা যায় না

চট্টগ্রামের এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের পেছনে কী কারণ আছে তা নিয়ে হয়তো সমাজবিজ্ঞানীরা গবেষণা করতে পারেন কিন্তু যে জিনিসটা চট্টগ্রামের চিন্তাশীল মানুষকে ভাবনায় ফেলে দিয়েছে তা হলো শিক্ষা-সংস্কৃতি আর বৈচিত্র্যের উপাদানে সমৃদ্ধ চট্টগ্রাম কেন একটি (ইসলামী) মৌলবাদী, ধর্মীয় গোঁড়া ও উগ্রবাদী চিন্তার চর্চার কেন্দ্র হয়ে উঠল? কবিয়াল রমেশ শীল, কবি আলাওল, আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদের চট্টগ্রাম কিংবা মাস্টারদা সূর্যসেন ও বীরকন্যা প্রীতিলতার চট্টগ্রাম, ভারতীয় উপমহাদেশে সাহিত্য-সংস্কৃতির অন্যতম কেন্দ্র চট্টগ্রাম- কেন এমন একটি সাম্প্রদায়িক ও (ইসলাম) ধর্মীয় হানাহানির কদর্য চেহারা নিয়েছে এটা ধারণা করা চিন্তাশীল মানুষের পক্ষে কঠিন চট্টগ্রামের এই সাংস্কৃতিক ও সামাজিক অবক্ষয়ের অন্যতম কারণ ধনাঢ্য সম্প্রদায়, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক সমাজ চট্টগ্রামের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য, শিক্ষা সংস্কৃতি ও ব্যবস্থায় নজর না দেয়াচট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও পীরের মুরিদ হওয়ার পেছনে যতটা আগ্রহী, ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ভালো হাসপাতাল নির্মাণের ব্যাপারে তেমন আগ্রহী নয়

পাকিস্তানের এক পীর প্রতি বছর শুধুমাত্র চট্টগ্রামেই আসেন এবং তাকে নিয়ে চট্টগ্রামের দলমত নির্বিশেষে সব রাজনৈতিক ব্যবসায়ী নেতার মধ্যে বাড়াবাড়ি রকমের যে কদর্য প্রতিযোগিতা- তা একেবারেই দৃষ্টিকটু পর্যায়ের (মন্তব্যঃ ইসলামী আইন অনুসারে মুরিদ হওয়া ফরজ, ঐ পির সাহেব কেবল মিলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময় আসেন, যা মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ঈদের দিন ও পালন করা সবচেয়ে বেশী সওয়াবের কাজ, এটা নিয়ে কোন অমুসলিমের কোন কথা বলার অধিকার ই নাই, অথচ স্যামল দত্ত কিন্তু নিজ ধর্মীয় ইসকন, জন্মাষ্টমী, রথের মতো অপচয় নিয়ে কিছু বলেনাই, এখানে সে ডবল ষ্ট্যাণ্ডার্ড) অথচ পাহাড় নদী সমুদ্র আর প্রকৃতির সৌন্দর্যের এই শহর, হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানসহ আরো অসংখ্য নৃগোষ্ঠীর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যের শহর-চট্টগ্রামের যে অনন্যতা এই শহরের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মন কাড়েনিএক ধরনের সাংস্কৃতিক দৈন্যে গড়ে ওঠা ধনাঢ্য ব্যবসায়ী সমাজের কাছে সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ সম্পদটি হারিয়ে গেছে সংস্কৃতিহীন সম্পদের প্রভাবেযে কারণে চট্টগ্রামের আর্য সংগীত, সংগীত পরিষদ নামের প্রতিষ্ঠানগুলো হারিয়ে গেছে অবহেলায়, অযত্নেকে বলবে, অবিভক্ত ভারত থাকাকালে চট্টগ্রামে সর্বভারতীয় সংগীত সম্মেলন হয়েছিলসাহিত্য, সংস্কৃতি আর দেশপ্রেমের অনুপ্রেরণা ছিল চট্টগ্রামএখন চরম অবহেলায় পড়ে আছে জেএম সেন হল, সূর্যসেনের আবক্ষ মূর্তি, প্রীতিলতার স্মৃতিবিজড়িত ইউরোপিয়ান ক্লাব, জালালাবাদ যুদ্ধের স্মৃতির মিনার, মুসলিম ইনস্টিটিউট হল কিংবা আসাম বেঙ্গল রেলওয়ের হেডকোয়ার্টার সিআরবিবারো আউলিয়ার শহর, মাইজভাণ্ডারীর শহর, সুফি, মুর্শিদি, কবিয়ালের শহর চট্টগ্রাম এখন দেওবন্দী ঘরানার চাপে কোণঠাসা এবং ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ সবাই এখন হাটহাজারীমুখী (মন্তব্যঃ অর্থাৎ সে বোঝাতে চাচ্ছে হাঠহাজারি মাদ্রাসায় ধর্মীয় কার্যক্রম এখন ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে, যা বন্ধ হওয়া প্রয়োজন)

Monday, April 13, 2020

করোনা গজবে আতংকিত দেশ, এরিই মধ্যে আহমদ শফী হাসপাতালে

করোনা গজবে আতংকিত দেশ, এরিই মধ্যে আহমদ শফী হাসপাতালে


স্টাফ রিপোর্ট।। হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসার মহাপরিচালক শাহ আহমদ শফী অসুস্থ হয়ে পড়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে বমি, মাথা ব্যথা ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে সে। হেফাজত আমিরের একান্ত সহকারী মোহাম্মদ শফিউল আলম বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছে।

সে জানায়, শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শফীকে চট্টগ্রামের প্রবর্তক মোড়ের সিএসসিআর নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে রয়েছে সে

Monday, March 30, 2020

তুরষ্কের পরিবহনমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন এরদোগান

তুরষ্কের পরিবহনমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন এরদোগান


আন্তর্জাতীক ডেস্ক।। তুরষ্কের পরিবহনমন্ত্রী মেহমেত কাহিত তুরহানকে তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। দেশটিতে করোনার প্রকোপ বৃদ্ধির মধ্যেই প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

২৮ মার্চ ভোরে প্রকাশিত সরকারি গেজেটে এ ঘোষণা দেয়া হয়েছে বলে হুরিয়ত নিউজ জানিয়েছে।
কাহিত তুরহানকে সরিয়ে সরকারি গেজেটে নতুন পরিবহনমন্ত্রী হিসেবে আদিল কারাইসমাইলোগলুকে দায়িত্ব দেয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। তবে আগের পরিবহনমন্ত্রীকে অব্যাহতির কোনও কারণ এতে জানানো হয়নি।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তুরস্কে মৃতের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। শুক্রবার পর্যন্ত দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ৯২ এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ৬৯৮ জন।

এর আগে বুধবার জাতির উদ্দেশে টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান তুর্কিদের ধৈর্যধারণ করে সরকারের পদক্ষেপকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, সম্ভাব্য যেকোনও পরিস্থিতির জন্য তুরস্ক প্রস্তুত আছে।

এরদোগান বলেন, দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকিয়ে দিয়ে সম্ভাব্য কম ক্ষয়ক্ষতির মধ্যেই আমরা সংকট কাটিয়ে উঠবো।
করোনায় অর্থনীতি বিপর্যয়, জার্মান অর্থমন্ত্রীর আত্মহত্যা!

করোনায় অর্থনীতি বিপর্যয়, জার্মান অর্থমন্ত্রীর আত্মহত্যা!



আন্তর্জাতীক ডেস্ক।। রেললাইন থেকে উদ্ধার করা হলো জার্মানির হেসের অর্থ প্রতিমন্ত্রী টমাস শেফারের লাশ। উচ্চ গতিসম্পন্ন ট্রেনের চাকার তলায় পড়ে শেফারের দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। করোনাভাইরাসের বিপর্যয়ের মধ্যেই মর্মান্তিকভাবে তার মৃত্যু হলো।

জানা গেছে, শনিবার মাইনজ আর ফ্রাঙ্কফুর্টের মাঝামাঝি এলাকায় রেল লাইনের উপর থেকে শেফারের ছিন্নভিন্ন দেহটি উদ্ধার করে স্থানীয় প্যারামেডিক্যালের একটি দল।
জার্মানির অর্থনৈতিক রাজধানী ফ্র্যাঙ্কফুর্টের হেসেতেই রয়েছে ডয়েচ ব্যাঙ্ক এবং কমার্স ব্যাঙ্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাঙ্কের সদর দফতর। সূত্রের খবর, করোনা বিপর্যয়ের জেরে ইদানীং দুশ্চিন্তা ও অবসাদে ভুগছিল বছর চুয়ান্নর শেফার।

জার্মানিতে এ পর্যন্ত ৫৮ হাজার ২৪৭ জন আক্রান্ত হয়েছে করোনাভাইরাসে, যার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৪৫৫ জনের। পরিস্থিতি সামা দেয়া ক্রমশ কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে সে দেশে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কে, দুশ্চিন্তা ও অবসাদেই আত্মঘাতী হয়েছে শেফার।

সূত্র : জি নিউজ

রাজধানীতে গাড়ি চলাচল, লকডাউন কিছুটা শিথিল

রাজধানীতে গাড়ি চলাচল, লকডাউন কিছুটা শিথিল


স্টাফ রিপোর্ট।। টানা দশ দিন ছুটির চতুর্থ দিন রাজধানীতে গাড়ি চলাচল কিছুটা বেড়েছে। রোববার ঢাকায় বাস চলেনি। তবে ব্যক্তিগত গাড়ি, সিএনজি অটোরিকশা, ভাড়ায় চালিত গাড়ি, মোটরসাইকেল ও রিকশা চলাচল ছিল চোখে পড়ার মতো।

গণপরিবহনের ওপর লকডাউন আরোপের প্রথম তিন দিনের তুলনায় গতকাল এসব গাড়ি বেশি ছিল। রাজধানীর বনানী, মগবাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চলেছে।

এর চালকদের ডেকে ডেকে যাত্রী তুলতে দেখা গেছে। ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে গণপরিবহন চলাচল বেড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে লঞ্চ ও ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

ডিএমপি ঢাকায় প্রয়োজনে গাড়ি চলাচল কিছুটা শীতীল করেছে। ঢাকাতে অনেকে থাকেন যাদের রান্না করে খাওয়ার সুযোগ নেই, তাদের অনেক ভুগান্তিতে পরতে হচ্ছে। সেই দিক বিবেচনা করে হোটেল, খাবার ও প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দোকান খোলা রাখা এবং সীমিত আকারে পরিবহন চলাচলের অনুমতি প্রদান করেন ডিএমপি।
স্পেনে করোনাভাইরাসে ২৪ ঘন্টায় ৮২১ জনের মৃত্যু

স্পেনে করোনাভাইরাসে ২৪ ঘন্টায় ৮২১ জনের মৃত্যু


আন্তর্জাতীক ডেস্ক।। প্রানঘাতী করোনাভাইরাসে স্পেনে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে  ৮২১ জন। ইউরোপের এ দেশটিতে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৮০৩ জন।
আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ২৩৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে ৭ হাজার ৫১৬ জন। সুস্থ হয়েছে বাড়ি ফিরেছেন ১৪ হাজার ৭০৯ জন ।

এছাড়া বর্তমানে স্পেনে ৫৮ হাজার ৫৯৮ জন আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের মধ্যে ৫৪ হাজার ৪৩৩ জনের অবস্থা সাধারণ। বাকি ৪ হাজার ১৬৫ জনের অবস্থা গুরুতর, যাদের অধিকাংশই আইসিউতে রয়েছে।

বিশ্বব্যাপী অমুসলিম দেশগুলোতে করোনাভাইরোসের প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে। একইসঙ্গে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি। করোনায় আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৯৫৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে ৩ হাজার ৯৫ জন।
এই ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ২১ হাজার ৪১২ জন। এর মধ্যে ১ লাখ ৫১ হাজার ৪ জন সুস্থ হয়েছে বাড়ি ফিরেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে ৫৮ হাজার ২৮৫ জন।

এছাড়া বিশ্বজুড়ে বর্তমানে ৫ লাখ ৩৬ হাজার ৪৫২ জন আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের মধ্যে ৫ লাখ ৯ হাজার ৬৬৩ জনের অবস্থা সাধারণ। বাকি ২৬ হাজার ৭৮৯ জনের অবস্থা গুরুতর, যাদের অধিকাংশই আইসিইউতে রয়েছে।

করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত ইউরোপের দুই দেশ ইতালি ও স্পেন। ইতালিতে মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়েছে। এখন পর্যন্ত সেখানে মারা গেছে ১০ হাজার ৭৭৯ জন। যুক্তরাজ্যে মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ২২৮ জনে দাঁড়িয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৪৭৫ জন।

এ রোগের কোনো উপসর্গ যেমন জ্বর, গলা ব্যথা, শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্ট, শ্বাসকষ্টের সঙ্গে কাশি দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। জনবহুল স্থানে চলাফেরার সময় মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। বাড়িঘর পরিষ্কার রাখতে হবে। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে এবং খাবার আগে সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে। খাবার ভালোভাবে সিদ্ধ করে খেতে হবে।
স্পেনে ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে করোনাভাইরাস। ভাইরাস ঠেকাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে দেশটির সরকার। কিন্তু এখন বাজারও নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও এর সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোটাই এখন কালোবাজারিদের দখলে।
সবকিছুর দাম আকাশছোঁয়া। বেশি টাকা দিয়েও মিলছে না সুরক্ষামূলক মাস্ক, গ্লাভস ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার।

দেশজুড়ে লকডাউন পরিস্থিতির মধ্যেও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বেশি বেশি লাভ করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। তাদের দৌরাত্ম্যে দিশেহারা সাধারণ মানুষ। তাদের ডাকাত ও দস্যুবলে অভিহিত করছেন অনেকেই। বলছেন, দিন-দুপুরে ডাকাতি করছে ব্যবসায়ীরা।
বিশ্বের করোনাপীড়িত দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বাজেভাবে আক্রান্ত স্পেন। সংক্রমণ ঠেকাতে দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তালাবন্দি পুরো দেশ। সব রেস্তোরাঁ, বার, হোটেল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

শুধু খাদ্যসামগ্রী ও ওষুধ কেনার জন্য সুযোগ দেয়া হয়েছে। এছাড়া কর্মস্থল, হাসপাতাল এবং ব্যাংক যাতায়াত করার অনুমতিও রয়েছে। কিন্তু বাইরে গিয়েও খাবার ও জীবন রক্ষাকারী ওষুধ পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। পেলেও দাম আকাশচুম্বী। খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে।

অবৈধ মজুদ গড়ে তুলেছে ব্যবসায়ীরা। গত সপ্তাহেই মাদ্রিদের একটি ফ্যাক্টরি থেকে দেড় লাখ মাস্ক উদ্ধার করে দেশটির পুলিশ বাহিনী। পরে সেগুলো সাধারণ মানুষের মাঝে বিলিয়ে দেয়া হয়।

স্পেনবাসীর জন্য এটা নতুন অভিজ্ঞতাও বটে। যেমনটা বলছে রাজধানী মাদ্রিদের কেন্দ্রীয় এলাকার ফার্মেসি মালিক আর্নেস্টো রুইজ লোপেজ। সে জানায়, গত দুই সপ্তাহে সে যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, তা জীবনেও দেখেনি

Sunday, March 29, 2020

মহামারি সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ভবিষ্যদ্বাণী ও নির্দেশনা!

মহামারি সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ভবিষ্যদ্বাণী ও নির্দেশনা!


ধর্মীয় ডেস্ক।। পবিত্র আল কুরআন ও হাদীস শরীফের হুকুম অনুসারে কোন এলাকা অথবা সারা দুনিয়াব্যাপি মহামারি ছড়িয়ে পড়া মূলত, তা মহান আল্লাহ পাক উনার প্রদত্ত একটি শাস্তি। যখন কোনো জাতির মধ্যে অশ্লীলতার মতো জঘন্য পাপ বেড়ে যায়, তখন মহান আল্লাহ পাক, তিনি তাদের মহামারির মাধ্যমে শাস্তি দেন। রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘যখন কোনো জাতির মধ্যে প্রকাশ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে তখন সেখানে মহামারি আকারে প্লেগ রোগের প্রাদুর্ভাব হয়। তা ছাড়া এমন সব ব্যাধির উদ্ভব হয়, যা আগের লোকদের মধ্যে কখনো দেখা যায়নি।

কিতাব সূত্রঃ সুনানে ইবনে মাজাহ শরীফ, হাদীস শরীফ নং ৪০১৯।

হযরত আয়েশা সিদ্দিকা আলাইহাস সালাম, উনার থেকে বর্ণিত, ‘তিনি রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে প্লেগ রোগ (মহামারি) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। মহান আল্লাহ পাক-এর নবী, রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে জানান, এটি হচ্ছে এক ধরনের শাস্তি। মহান আল্লাহ পাক যার ওপর তা পাঠাতে ইচ্ছে করেন, পাঠান। কিন্তু মহান আল্লাহ পাক এটিকে মুমিনের জন্য রহমত বানিয়েছেন। অতএব প্লেগ রোগে কোনো বান্দা যদি ধৈর্য ধরে এবং এ বিশ্বাস নিয়ে আপন শহরে অবস্থান করতে থাকে যে, মহান আল্লাহ পাক তার জন্য যা নির্দিষ্ট করে রেখেছেন তা ছাড়া আর কোনো বিপদ তার ওপর আসবে না; তাহলে সেই বান্দার জন্য থাকবে শহীদের সাওয়াবের সমান সাওয়াব।

কিতাব সূত্রঃ সহিহ বুখারী শরীফ, হাদীস শরীফ নং  ৫৭৩৪।

দ্বিনের ব্যাপারে উদাসীনতা জাতির  ধ্বংস ডেকে আনেঃ

মহান আল্লাহ পাক উনার অবাধ্যতা, সীমালঙ্ঘন ও অবাধ পাপাচার মহামারির অন্যতম প্রধান কারণ হলেও শুধু পাপীরাই তাতে আক্রান্ত হয় না; বরং সৎ ও নেককার মানুষও তাতে আক্রান্ত হয়। কেননা তারা দ্বিনি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে হয়তো উদ্ভূত পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। পবিত্র আল কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, [فَلَوْلاَ كَانَ مِنَ الْقُرُونِ مِن قَبْلِكُمْ أُوْلُواْ بَقِيَّةٍ يَنْهَوْنَ عَنِ الْفَسَادِ فِي الأَرْضِ إِلاَّ قَلِيلاً مِّمَّنْ أَنجَيْنَا مِنْهُمْ وَاتَّبَعَ الَّذِينَ ظَلَمُواْ مَا أُتْرِفُواْ فِيهِ وَكَانُواْ مُجْرِمِينَ]তোমাদের পূর্বে (আগের যুগে) আমি যাদের রক্ষা করেছিলাম তাদের মধ্যে অল্প কয়েকজন ছাড়া সৎকর্মশীল ছিল না-যারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করতে বাধা-নিষেধ প্রদান করত। আর পাপিষ্ঠরা তো ভোগ বিলাসে মত্ত ছিল যার সামগ্রী তাদেরকে যথেষ্ট প্রদান করা হয়েছিল। আসলে তারা ছিল মহা অপরাধী।

কিতাব সূত্রঃ সূরাহ হুদ শরীফ, আয়াত শরীফ ১১৬।

আল কুরআনের বর্ণনায় মহামারিতে ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিঃ

অতীতেও মহান আল্লাহ পাক পাপাচারের শাস্তি হিসেবে মহামারি প্রাদুর্ভাব ঘটান এবং সে জাতিকে ধ্বংস করে দেন। দাউদ (আলাইহিস সালাম)-এর যুগে এমন একটি ঘটনা ঘটেছিল যা পবিত্র আল কুরআনে বর্ণিত হয়েছে, [أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ خَرَجُواْ مِن دِيَارِهِمْ وَهُمْ أُلُوفٌ حَذَرَ الْمَوْتِ فَقَالَ لَهُمُ اللّهُ مُوتُواْ ثُمَّ أَحْيَاهُمْ إِنَّ اللّهَ لَذُو فَضْلٍ عَلَى النَّاسِ وَلَـكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لاَ يَشْكُرُونَ]আপনি কি তাদের দেখেননি যারা মৃত্যুভয়ে হাজারে হাজারে স্বীয় আবাসভূমি ত্যাগ করেছিল। অতঃপর মহান আল্লাহ পাক তাদের বলেছিলেন, তোমাদের মৃত্যু হোক। তারপর মহান আল্লাহ পাক তাদের জীবিত করেন। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি মানুষের উপর অনুগ্রহকারী। কিন্তু অধিকাংশ লোক শুকরিয়া প্রকাশ করে না।

কিতাব সূত্রঃ সুরাহ বাকারা শরীফ, আয়াত শরীফ ২৪৩।

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) বলেন, ‘তারা সংখ্যায় ছিল চার হাজার। মহামারির ভয়ে তারা পালিয়ে ছিল। তারা বলেছিল, আমরা এমন ভূমিতে যাব যেখানে মৃত্যু নেই। অতঃপর তারা এক স্থানে একত্র হলো। তখন আল্লাহ তাদের ওপর মৃত্যুর ফরমান জারি করেন।(তাফসিরে ইবনে কাসির রহমতুল্লাহি আলাইহি)।

এ ছাড়া একটি হাদীস শরীফের বর্ণনা থেকে বোঝা যায় মহান আল্লাহ পাক তিনি অতীতের কোনো কোনো গোত্রকে মহামারির মাধ্যমে শাস্তি দিয়েছেন। যেমনঃ রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘এটি মহান আল্লাহ পাক উনার গজব বা শাস্তি বনি ইসরাঈলের এক গোষ্ঠীর ওপর এসেছিল, তার অবশিষ্টাংশই মহামারি।

কিতাব সূত্রঃ সুনানে তিরমিজি শরীফ, হাদীস শরীফ ১০৬৫।

মহামারি নিয়ে রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ভবিষ্যদ্বাণীঃ

মহামারি ও রোগের প্রকোপ বেড়ে যাওয়াকে রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিয়ামতের অন্যতম আলামত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘কিয়ামতের আগের ছয়টি নিদর্শন গণনা করে রাখো। আমার মৃত্যু, অতঃপর বায়তুল মুকাদ্দাস বিজয়, এরপর তোমাদের মধ্যে ঘটবে মহামারি, বকরির পালের মহামারির মতো।

কিতাব সূত্রঃ সহিহ বুখারী শরীফ, হাদীস শরীফ নং ৩১৭৬।

তবে এই মহামারি থেকে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র নগরী মদিনা শরীফকে রক্ষা করবেন বলেও ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। আবু হুরায়রা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘মদিনায় ঢুকতে পারবে না দাজ্জাল, আর না কোনো মহামারি(যা আল্লাহ পাক উনার প্রদত্ব)।

কিতাব সূত্রঃ সহিহ বুখারী শরীফ, হাদীস শরীফ ৫৭৩১।

ইসলামী শরীয়ত অনুসারে মহামারি দেখা দিলে করণীয়ঃ

যেকোনো বিপদে বান্দা মহান আল্লাহ-পাক মুখী হোক এবং উনার কাছে ক্ষমা ও আশ্রয় প্রার্থনা করুক এটাই মহান প্রতিপালক আল্লাহ পাক উনার প্রত্যাশা। পবিত্র আল কুরআনের একাধিক স্থানে বিপদে আল্লাহ পাক মুখী হওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। তাই মহামারি দেখা দিলে মুমিনের প্রধান কাজ হলো নিজের ভুল ত্রুটির জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে বিনীত হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করা। মহান আল্লাহ পাক বলেন, [وَلَقَدْ أَخَذْنَاهُم بِالْعَذَابِ فَمَا اسْتَكَانُوا لِرَبِّهِمْ وَمَا يَتَضَرَّعُونَ]আমি তাদের শাস্তি দ্বারা পাকড়াও করলাম, কিন্তু তারা তাদের প্রতিপালকের সামনে নত হল না এবং কাকুতি-মিনতিও করল না।

কিতাব সূত্রঃ সূরাহ মুমিনুন শরীফ, আয়াত শরীফ ৭৬।

আমাদের প্রিয় নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামই হলেন আজকের লক ডাউনের সর্ব প্রথম আবিষ্কারক। এই বিষয়ে রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, ‘কোথাও মহামারি দেখা দিলে এবং সেখানে তোমরা অবস্থানরত থাকলে সে জায়গা থেকে চলে এসো না। অন্যদিকে কোনো এলাকায় এটা দেখা দিলে এবং সেখানে তোমরা অবস্থান না করলে সে জায়গায় যেয়ো না।

কিতাব সূত্রঃ তিরমিজি শরীফ, হাদীস শরীফ ১০৬৫।

উপরোক্ত হাদীস শরীফের মূল অর্থ বেশির ভাগ লোক বুঝেনা বলে মনে করে যে মহামারি সংক্রামক। তাই রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহামারির সংক্রমণ রোধে আক্রান্ত অঞ্চলে যাতায়াত নিষিদ্ধ করেছেন। কিন্তু বিষয়টা এরূপ নয়, বরং মুমিন ঈমান ও ইখলাসের সঙ্গে ধৈর্য ধারণ করবে এবং তকদিরে বিশ্বাস করবে। (ব্যপারটা বুঝতে এই ব্যাখা টা পড়তে পারেনঃ https://bit.ly/3bt8Dw6)

সহিহ বুখারির বর্ণনায় পাওয়া যায় উপরোক্ত হাদীস শরীফ কারনেই শামে মহামারি দেখা দিলে দ্বিতীয় খলীফা হযরত ওমর ফারূক (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ওয়া আলাইহিস সালাম) উনার গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সফর স্থগিত করেন।

কিতাব সূত্রঃ সহিহ বুখারী শরীফঃ হাদীস শরীফ ৫৭২৯।

মহামারিতে মারা গেলে শহীদঃ

মহান আল্লাহ তায়ালা শাস্তি হিসেবে মহামারির প্রাদুর্ভাব ঘটান। যেন বান্দা মহান আল্লাহ পাক উনার দিকে ফিরে আসে। সুতরাং মহামারি দেখা দিলে কোনো বান্দা যদি মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে বিনীত হয়ে তাওবা করে এবং রাসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নির্দেশ মোতাবেক ধৈর্যের পরীক্ষা দেয়, তবে মহান আল্লাহ পাক তাকে শহীদের মর্যাদা দান করবেন। আবু হুরায়রা (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘পেটের রোগে মারা গেলে শহীদ, প্লেগে মারা গেলে শহীদ।

কিতাব সূত্রঃ সহিহ বুখারী, হাদীস শরীফ ৫৭৩৩।

মহামারিতে পড়ার দোয়াঃ

হাদীস শরীফে এসেছে, যে ব্যক্তি নিম্নোক্ত দোয়াটি সন্ধ্যায় তিনবার পাঠ করবে সকাল হওয়া পর্যন্ত তার প্রতি কোনো বিপদ হঠাৎ চলে আসবে না। আর যে তা সকালে তিনবার পাঠ করবে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার ওপর কোনো হঠাৎ বিপদ আসবে না। দোয়াটি হলো, ‘বিসমিল্লা-হিল্লাজি ইয়াদুররু মাআসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামা-ই, ওয়াহুয়াস সামিউল আলিম’, অর্থঃ মহান আল্লাহ পাক উনার নামে যাঁর নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোনো বস্তুই ক্ষতি করতে পারে না, তিনি সর্বশ্রোতা ও মহাজ্ঞানী

কিতাব সূত্রঃ আবু দাউদ শরীফ, হাদীস শরীফ ৫০৮৮।

আনাস (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) থেকে বর্ণিত, (রোগ-ব্যাধি থেকে বাঁচার জন্য) নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পড়তেন, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজু বিকা মিনাল বারাসি ওয়াল জুনুনি ওয়াল জুজামি ওয়া মিন সাইয়্যিল আসকাম’, অর্থঃ হে মহান আল্লাহ পাক, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই শ্বেত, উন্মাদনা, কুষ্ঠ এবং সব দুরারোগ্য ব্যাধি হতে।

কিতাব সূত্রঃ সুনানে আবু দাউদ, হাদীস শরীফ ১৫৫৪।

আল্লাহ তায়ালা প্রত্যেক ঈমানদার নর নারীকে হেফাজতে রাখুন এই কামনায়। আল্লাহুমা আমিন।